আলপ আরসালান সেলজুক পর্ব ২ বাংলা সাবটাইটেল-Alp Arsalan Seljuk Episode 2

আলপ আরসালান সাহসী সিংহের আগমন

সেলজুকি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা তুগ্রিল বেগ ৪৫৫ হিজরিতে ( ১০৬৩ খ্রিষ্টাব্দ ) মারা যান । একজন কল্যাণকামী শাসক হিসেবে ঐতিহাসিকরা তার প্রশংসা করেছেন । সময়মতো সালাত আদায়ের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন কঠোর । সোমবার বৃহস্পতিবার নিয়মিত নফল সিয়াম রাখতেন । তুগ্রিল বেগের কোনো সন্তান ছিল না । মৃত্যুর আগে তিনি তার ভাইয়ের ছেলে সোলাইমান বিন দাউদের জন্য অসিয়ত করে যান ।

কিন্তু তুগ্রিল বেগের মৃত্যু র পরে দেখা যায় সোলাইমান বিন দাউদের প্রতি লোকজনের আগ্রহ কম , এবং তার পক্ষে পর্যাপ্ত জনসমর্থনও নেই । ফলে তার ভাই মুহাম্মদ বিন দাউদ ক্ষমতায় আরোহণ করেন । তার নামে সর্বত্র খুতবা চালু হয় । তিনি পরিচিত হন আলপ আরসালান নামে । এই নামটি গঠিত হয়েছে দুটি তুর্কি শব্দের সমন্বয়ে । আলপ অর্থ সাহসী এবং আরসালান অর্থ সিংহ ।

আলপ আরসালানের জন্ম ৪২৪ হিজরিতে ৷ বাল্যকাল থেকেই তার মধ্যে প্রতিভার বিচ্ছুরণ দেখা যাচ্ছিল । যৌবনের শুরুতে আলপ আরসলান তার চাচা তুগ্রিল বেগের সাথে শিয়া ওবাইদিদের বিরুদ্ধে প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন । তখন তাঁর বাবা ছিলেন খোরাসানের প্রশাসনের দায়িত্বে । আলপ আরসলান খোরাসানে ফিরে আসার পরে তিনি বাবার পরামর্শে প্রশাসনের কাজ শুরু করেছিলেন ৷ সেখানে থাকাকালীন তাঁর পিতা তাকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন নিযামুল মুলকের সাথে , যিনি ছিলেন ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম মন্ত্রী এবং পরবর্তী কয়েক দশক তিনিই ছিলেন সেলজুকি সাম্রাজ্যের প্রধান উপদেষ্টা ।

পিতার মৃত্যু র পর আলপ আরসালান ৫ বছর খোরাসানের দায়িত্বে নিযুক্ত ছিলেন । চাচার মৃত্যু র পর তিনি হলেন সেলজুক সাম্রাজ্যের কর্ণধার । তার চাচা একটি বিশাল অঞ্চল জয় করে নিজের ক্ষমতা সুসংহত করেছিলেন , আরসালান সেই বিস্তৃত এলাকার মালিক হলেন । আলপ আরসালান যখন ক্ষমতায় বসলেন তখন তার এই সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ছিল আমু দরিয়া থেকে দজলা নদী পর্যন্ত । ক্ষমতায় বসে আলপ আরসালান প্রথমেই নিযামুল মুলককে তার প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেছিলেন ।

তার এই সিদ্ধান্ত পরবর্তী সময়ে সেলজুক সাম্রাজ্যকে উপকৃত করেছিল । নিযামুল মুলক ছিলেন ইসলামের ইতিহাসের প্রভাবশালী ও মেধাবী একজন ব্যক্তিত্ব । সাম্রাজ্য পরিচালনার সকল কলাকৌশল তিনি বেশ ভালোভাবেই রপ্ত করেছিলেন । একদিকে সাহসী সুলতান আলপ আরসালান অন্যদিকে দক্ষ কূটনীতিক নিযামুল মুলক , এই দুইয়ের সমন্বয় সেলজুক সালতানাতকে বহুদুর এগিয়ে নিয়েছিল । ক্ষমতায় আরোহণের পরের বছরই আলপ আরসালানকে শক্তিশালী একটি বিদ্রোহ সামাল দিতে হয়েছিল । ৪৫৬ হিজরিতে শিহাবুদ্দৌলা কুতুলমুশ সুলতানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন । তিনি বেশ শক্তিশালী ছিলেন এবং সুলতানের বাহিনীর

তুলনায় তার বাহিনীটি বেশ বড় ছিল । শুরুর দিকে সুলতান বেশ আতঙ্কিত ছিলেন । তখন নিযামুল মুলক তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন , আপনি ভয় পাবেন না । আমি আপনার জন্য এমন এক বাহিনীর খোঁজে আছি , যারা যে – কোনো বাহিনীকে পরাজিত করতে পারবে । সুলতান জিজ্ঞেস করলেন , কারা সেই বাহিনী ? নিযামুল মুলক জবাব দিয়েছিলেন , তারা হলেন নেককার আলেম ও ফকিহদের জামাত ।

যারা নিয়মিত আপনার জন্য দোয়া করেন । এই কথা শুনে সুলতান চিন্তামুক্ত হন । কুতুলমুশের এই বিদ্রোহটি সুলতান বেশ সহজভাবেই সামাল দিতে পেরেছিলেন । কুতুলমুশের বিশাল বাহিনী সুলতানের বাহিনীর সামনে পরাজিত হয়েছিল। তুগ্রিল বেগের শাসনকালের শেষদিকে আব্বাসি খলিফা কায়েম বি আমরিল্লাহর সাথে তার সম্পর্কের কিছুটা অবনতি ঘটেছিল । তিনি খলিফার অমতে তার মেয়েকে বিবাহ করেন ।

৪৫৬ হিজরিতে আলপ আরসালান খলিফার মেয়েকে বাগদাদে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন । আলপ আরসালানের এ সিদ্ধান্ত খলিফা অত্যন্ত খুশি হয়েছিলেন । তিনি বাগদাদের মসজিদগুলোতে আলপ আরসালানের জন্য দোয়া করার নির্দেশ পাঠিয়েছিলেন । দোয়ার মধ্যে বলা হয়েছিল— ‘ হে আল্লাহ , মহান সুলতান আযদুদ দৌলাহ , জাতির শিরোমণি আলপ আরসালান , আবু শুজা ( দুঃসাহসী বীর ) মুহাম্মদ ইবনু দাউদকে আপনি সার্বিক কল্যাণ দান করুন ‘ ।

এরপর খলিফা প্রতিনিধির মাধ্যমে সুলতান আলপ আরসালানের কাছে নিজের বিশেষ তরবারি উপহার পাঠিয়েছিলেন ৷ খলিফার সাথে সুলতানের সুসম্পর্কের ফলে আলপ আরসালান অনেকটাই নিশ্চিন্ত হন । সাম্রাজ্যকে সমৃদ্ধ করার জন্য খলিফার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি ছিল । যদিও খলিফা দুর্বল ছিলেন এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তার নিজের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা ছিল না,

তবু তার পদটির প্রতি সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা ও আবেগ ছিল । শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে আলপ আরসালান দুটি দিকে মনোযোগ দিয়েছিলেন । প্রথমত , তিনি চাচ্ছিলেন ফাতেমিদের প্রভাব খর্ব করতে । দ্বিতীয়ত , তিনি চাচ্ছিলেন উম্মাহর মধ্যে জিহাদের তেনা জাগিয়ে তুলতে , যে চেতনা উম্মাহ ভুলে গিয়েছিল নিজেদের আভ্যন্তরীণ বিবাদের কারণে ।

ফাতেমিদের বিরুদ্ধে সুলতান আলপ আরসালান প্রথম পদক্ষেপ নেন ১০৬৯ খ্রিষ্টাব্দে ( ৪৬২ হিজরি ) , যখন মক্কার শাসকের দূত মুহাম্মদ ইবনে আবু হাশিম সুলতান আলপ আরসলানের সাথে দেখা করতে আসেন । তিনি সুলতানকে জানান মক্কায় ফাতেমি খলিফা আল কায়েম বি আমরিল্লাহর নামে খুতবা পড়া হয় ।

সুলতান আলপ আরসালান তাকে আদেশ দেন ফাতেমি খলিফার নামে পুতবা পড়া বন্ধ করতে হবে এবং ফাতেমিদের নিয়ম মতো আযানের ‘হাইয়া আলা খাইরিল আমাল’ বন্ধ করতে হবে । মক্কার শাসক এই প্রস্তাব মেনে নিয়েছিলেন । মূলত মক্কা মদিনায় ফাতেমিরা কখনোই তাদের মতবাদের পক্ষে ব্যাপক সমর্থন তৈরি করতে পারেনি । সেখানে তারা যেটুকু কর্তৃত্ব অর্জন করেছিল তা ছিল পেশিশক্তির জোরে ।

সেসময় তারা আব্বাসি খলিফার দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছিল । কিন্তু ক্ষমতার মঞ্চে সেলজুকদের আগমনের ফলে তাদের সাজানো পরিকল্পনার ছক উল্টে যায় । মক্কার শাসক সেলজুকদের আগমনের এই সুযোগ নিয়েছিলেন । তিনি খুশিমনেই ফাতেমি শাসকের নামে খুতবা পড়া বন্ধ করে দেন ।

আযানের মধ্যেও ফাতেমি রীতির অনুসরণ করা বন্ধ করেন । এ সংবাদ শুনে সুলতান আলপ আরসালান খুশি হয়ে তাকে ৩০,০০০ দিনার এবং সম্মানের পোশাক উপহার দেন এবং বার্ষিক পেনশনের ব্যবস্থা করেন ।সুলতানের ক্রমবর্ধমান শক্তির প্রভাব পড়েছিল সর্বত্র । ৪৬৩ হিজরিতে আলেপ্পোর জনসাধারণ একত্র হয়ে শহরের শাসক মাহমুদ বিন সালিহর কাছে দাবি জানাইয় — এখন থেকে জুমার খুতবা আব্বাসি খলিফা ও সুলতান আলপ আরসালানের নামে পড়তে হবে । শহরবাসীর যুক্তি ছিল , সেলজুকরা একটি ক্রমবর্ধমান নতুন শক্তি । তারা আমাদের ওপর হামলা করার আগেই আমাদের উচিত তাদের বশ্যতা স্বীকার করে নেয়া এবং তাদের নামে খুতবা পড়া ।

নয়তো তারা যদি একবার এখানে চলে আসে তাহলে তারা আমাদের রক্তকে বৈধ করে দিবে । তখন আর কোনো অজুহাত কাজে আসবে না । মাহমুদ বিন সালিহ এই দাবি মেনে নেন । তিনি জুমার খুতবায় খলিফা ও সুলতানের নাম চালু করে দেন । কিন্তু সুলতান আলপ আরসালান এতে সন্তুষ্ট হননি । ১০৭১ খ্রিষ্টাব্দে ( ৪৬৩ হিজরি ) সুলতান আলপ আরসলান সিরিয়ার আলেপ্পোর দিকে যাত্রা করেছিলেন । সুলতানের এই অভিযানের কারণ ছিল , সুলতান জেনেছিলেন সেখানে ফাতেমি শাসকের নামে খুতবা পাঠ বন্ধ হলেও আযান এখনো তাদের রীতিতেই দেওয়া হয় । এই সংবাদ শুনে সুলতান ক্ষিপ্ত হন ।

তিনি দ্রুত যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে আলেপ্পোর দিকে ধেয়ে যান । সুলতানের বাহিনী দেখে আলেপ্পোর আমির মাহমুদ বিন সালিহ ঘাবড়ে যায় । সে নিজের বৃদ্ধা মাতাকে নিয়ে সুলতানের দরবারে উপস্থিত হয়ে ক্ষমা চায় । সুলতান তাকে ক্ষমা করে আপন পসে বহাল রাখেন । তবে শর্ত ছিল , সে আযানে অবশ্যত ফাতেমিদের রীতি বর্জন করবে । ফাতেমিদের প্রভাব খর্ব করতে আলপ আরসালানের এই পদক্ষেপগুলো মুসলিম উম্মাহকে উপকৃত করেছিল ।

উম্মাহ রক্ষা পেয়েছিল শিয়া মতবাদের বিষবাষ্প থেকে । পবিত্র হারামাইনের মিম্বরকে তিনি শিয়া শাসকদের নাম উচ্চারণ করা থেকে রক্ষা করেছিলেন । সুলতানের পরের পদক্ষেপটি ছিল উম্মাহর মধ্যে জিহাদের চেতনা সঞ্চার করা । জিহাদের জন্য প্রয়োজন একতা ও ঐক্য । কিন্তু আব্বাসি খেলাফত দুর্বল হওয়ার ফলে উম্মাহ নানাভাবে বিভক্ত হয়ে যায় ।

আঞ্চলিক শাসকরা নিজেদের শাসনকে শক্তিশালী করতে নানা বিরোধ উসকে দেন । কোনো জাতি যখন বিভক্ত থাকে তখন তারা বহিঃশত্রুর সাথে লড়াই করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে । শত্রুরা সহজেই তাদের পরাস্ত করতে পারে । আলপ আরসালান চাচ্ছিলেন উম্মাহর মাঝে

আবারও জিহাদের চেতনা ফিরিয়ে আনতে । তাদেরকে কুফফারদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিতে । ক্ষমতায় আরোহণের পরের বছর ৪৫৬ হিজরিতে সুলতান আলপ আরসালান তার বাহিনী নিয়ে রওনা হলেন মারানদা শহরের উদ্দেশ্যে । এখানে এসে তিনি পুত্র মালিক শাহ ও উযির নিযামুল মুলকের নেতৃত্বে একটি বাহিনী প্রস্তুত করে রোমানদের মোকাবেলা করার জন্য প্রেরণ করেন । এই বাহিনী রোমানদের বেশ কয়েকটি কেল্লা জয় করে ৷ তারা সুরমারি দুর্গও জয় করে । এরপর এই বাহিনী মারিয়াম নাশিন শহর অবরোধ করে ।

এটি ছিল খ্রিষ্টানদের কাছে পবিত্র একটি শহর । এখানে পাদ্রী ও খ্রিষ্টান শাসকদের অনেকে বসবাস করত । শহরের চারপাশ ছিল শক্ত পাথুরে প্রাচীরবেষ্টিত । এর বাইরে ছিল পরিখা । ফলে শহরবাসী নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে বেশ নিশ্চিন্ত ছিল । মুসলিম বাহিনী নৌকার সাহায্যে পরিখা অতিক্রম করে প্রাচীরের কাছে পৌঁছে যায় এবং তারা প্রাচীরের গায় কাঠের সিঁড়ি স্থাপন করে ।

এসময় রোমানরা তির নিক্ষেপ করছিল ; কিন্তু মুসলিম মুজাহিদরা অসামান্য সাহসিকতা দেখিয়ে নিজেদের কাজ অব্যাহত রাখেন । বেশ কয়েকজন মুজাহিদ শহিদ হয়ে গেলেও অনেকে প্রাচীরের শীর্ষে উঠতে সক্ষম হন । তাদেরকে দেখে শহরবাসী সাহস হারিয়ে ফেলে । তাদের অনেককে হত্যা করা হয় ৷

অনেকে ইসলাম গ্রহণ করে । নিযামুল মুলক ও মালিকশাহর নেতৃত্বাধীন এই বাহিনী এরপর আর্মেনিয়ার একাংশ দখল করে নেয় । মুসলিম বাহিনী জয় করে বেশ কিছু শহর ও দুর্গ । তবে এসব অভিযানে সুলতান আলপ আরসালানকে চড়া মূল্য দিতে হয় । তার সেনাবাহিনীর প্রচুর সৈন্য এসব

অভিযানে নিহত হয় । এরপর সুলতান আলপ আরসালান তার বাহিনী নিয়ে জর্জিয়ার একটি শহর অবরোধ করেন । শহরটি ছিল সুরক্ষিত । এর এক পাশে ছিল সুউচ্চ পর্বতমালা । অন্যদিকে প্রশস্ত নদী । প্রথমদিকে মুসলিম সেনারা এই শহর দেখে মনোবল হারিয়ে ফেলে । কিন্তু দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সুলতান আদেশ দিলেন শহর অবরোধ করে রাখতে ।

সুলতান সেনাবাহিনী পারাপারের জন্য নদীর ওপর একটি পুল নির্মাণ করেন । ফলে সেলজুক বাহিনী সহজেই নদী অতিক্রম করে ফেলে । এরপর রোমানদের সাথে সেলজুকদের তীব্র যুদ্ধ শুরু হয় । এই যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী জয়লাভ করে শহরে প্রবেশ করে ৷ তারা শহরের গম্বুজগুলো ভেঙে ফেলে । এই অভিযানে এত বেশি গনিমতের মাল অর্জন হয়েছিল , যা গণনা করাও সম্ভব হয়নি ।

এই অভিযানে সুলতান আরমেনিয়ার আরও কিছু অঞ্চল , যেমন কারাস , আনি এসব শহর জয় করেন । আনি শহরে তিনি নিজের পক্ষ থেকে প্রশাসক নিয়োগ দেন । সুলতানের এসব জয়ে মুসলিম বিশ্বে বয়ে যায় আনন্দের বন্যা । খলিফার কাছে সুলতান বিজয়ের সংবাদ জানিয়ে যে পত্র লিখেছিলেন তা পড়ে শোনানো হয় বাগদাদে খলিফার প্রাসাদে ৷

ফিরতি পত্রে খলিফা ছিলেন সুলতানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ । তিনি সুলতানের জন্য দোয়া করেছিলেন । ৪৫৭ হিজরিতে সুলতান আলপ আরসালান আমু দরিয়া অতিক্রম করে জান্দ শহরে পৌঁছে যান ৷ শহরের অধিপতি সুলতানের মোকাবেলা করার সাহস হারিয়ে ফেলে । সে বশ্যতা স্বীকার করে নেয় এবং কর দিতে রাজি হয় । সুলতান ফিরে আসেন ।৪৬৮ হিজরিতে সুলতান আলপ আরসালান তার পরবর্তী সুলতান হিসেবে পুত্র মালিক শাহকে মনোনীত করেন ।

 

সার্ভার-০১

Leave a Comment